মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভাষা ও সংস্কৃতি

ফেনী সদর উপজেলার উত্তরপশ্চামাঞ্চলেমনোরম প্রাকৃতিক আবহে ধর্মপুরইউনিয়নের অবস্থান। ইতিহসি ঐতিহ্যের দিক থেকে এ অঞ্চলের ব্যাপক সুনাম রয়েছে এবং ঐতিহ্যের সে ধারা এখনো অভ্যাহত রয়েছে। ভূ-প্রকৃতি ও ভৌগলিক অবস্থান, পীর-ফকিরের প্রভাব এবং পূর্বপুরুষের বীরত্ব গাঁথা এই ইউনিয়নের মানুষের ভাষা ও সংস্কৃতি গঠনে প্রভূত ভূমিকা রেখেছে । ফেনীর উত্তর-পশ্চিমঅঞ্চলে অবস্থিত এ ইউনিয়নের উত্তরে প্রতিবেশী দেশ ভারত, দক্ষিণে ফেনী পৌরসভা, পূর্বে বন্দুয়াও পশিচমে শর্শদিইউনিয়ন অবস্থিত । ফেনীর কথ্য ভাষায় মহাপ্রাণ ধ্বনিসমূহ উচ্চারণের ক্ষেত্রে বায়ুপ্রবাহের চাপ কম থাকায় মহাপ্রাণ ধ্বনিসমূহ অল্পপ্রাণ ধ্বনির মত উচ্চারিত হয় আবার অল্পপ্রাণ ধ্বনিসমূহ উচ্চারণের ক্ষেত্রে বায়ুপ্রবাহের চাপ বেশি থাকায় অল্পপ্রাণ ধ্বনিসমূহ মহাপ্রাণ ধ্বনির মত উচ্চারিত হয় ।  বর্ণ উচ্চারণে সহজতর বর্ণ ব্যবহার করা হয় অধিক হারে এবং প্রয়োজনে বর্ণকে ভেঙে কাছাকছি অবস্থান উচ্চারণ অবস্থান বেছে নেওয়া হয় অর্থাৎ ভাষা সহজীকরণের প্রবণতা সুস্পষ্ট। এর অন্যতম আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বাংলাদেশের যে কোন অঞ্চলের মানুষ এ অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষাকে সহজভাবে বুঝতে পারে এ অঞ্চলের মানুষগুলো ধর্মভীরু-সহজ-সরল-আতিথ্যপ্রবণ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এ অঞ্চলের মানুষের মজ্জাগত। আঞ্চলিক সংস্কৃতিতে মুখে মুখে ছড়াকাটা, ধাঁধাঁ, বচন ইত্যাদি প্রচলিত।

অসংখ্য জ্ঞানী-গুনি ও সাধকের জন্ম এখানে।  মহান মুক্তিযুদ্ধে এ অঞ্চলের শতশত তরম্নণ, যুবক সর্বস্ব বিলিয়ে লাল সবুজের পতাকা অর্জনে যাপিয়ে পড়ে। কালপরিক্রমায় ধর্মপুরইউনিয়ন শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার নিজস্ব স্বকীয়তা আজও সমুজ্জ্বল রেখে চলেছে।


Share with :
Facebook Twitter